ইছামতী
জ্যোৎস্না দত্ত
প্রতি দিনের ঘেটে যাওয়া নিজের ঘরের
বিছানা ছেড়ে খুব সকালে পৌঁছে গেলাম
ইছামতী র কাছে,বেশ এক ভালো লাগায়
নদী পানে চেয়ে রইলাম,প্রকৃতি ও তার
অপরূপ সাজে ইছামতী কে সাজিয়ে রেখেছে,
নৌকার আসা যাওয়া দেখতে রইলাম,হোগলা
বন থেকে সুন্দরী গাছ পালা,পাখিদের মিষ্টি
মধুর সুরে অদ্ভুদ এক ভালো লাগায় জড়িয়ে
পরলাম,কৃষ্ণচূড়া ফাগুনের শেষে যায় নি চলে,
এখনও দিব্যি সতেজ,ঝরে পড়তে দেখেই কুড়ায়
খোঁপা য় দিলাম গুজে,শান্ত ইছামতী নিজের গতি
তে বয়ে চলছে,তার গা ঘেঁষে থাকা ঘাস খেয়ে
চলছে আপন মনে গরু,বাছুর,তখন ইছামতী
তার ভাটার গতিতে চলছে,ঠিক নদীর ওপারেই
সেই আমাদের সোনার বাংলা গ্রাম খানি দেখা
যাচ্ছে,বেশ গাছ পালায় ঘেরা,ইচ্ছে হচ্ছিল যেতে,
কিছু মানুষের চলা ফেরা দেখছি,দেখছি একজন
সাইকেল চালিয়ে চলছে,ইছামতী র লাগোয়া ঘর
টি ছিলো থাকার,মন না চাইলেও ফিরলাম ঘরে,
অপেক্ষায় ছিলাম রাতের ইছামতী দেখবো বলে,
সেই অপেক্ষার রাত এলো,বারান্দায চেয়ার নিয়ে
বসলাম,ইছামতী তখন নিজের জোয়ারে চলছিলো
আপন মনে,জল বেড়ে গেল,ছোট ছোট ঢেউ ভাঙার শব্দ কানে এলো,তাকিয়ে দেখলাম আমার
থাকার ঘরটি ছুঁয়ে যাচ্ছে,বুঝতে পারলাম না,ঘর
ছুঁয়ে যাচ্ছে নাকি আমাকে ছুঁতে চাইছে,হতে পারে,
সকালে যে তাকে খুব আস্তে বলে এসেছিলাম
তোমাকে ভীষণ ভালোবাসি,ভালোবাসি তোমার
ওপারে দূর থেকে দেখা সোনার বাংলা কে,ভালোবাসি আমার এই বাংলা কে তাই হয়তো
ছুঁতে চাইছে আমাকে,হঠাৎ চোখ গেল নদীর মাঝে
দেখলাম টিমটিম করে আলো জ্বলছে,বোঝা গেলো হারিকেনে র আলো নিয়ে নৌকার আসা যাওয়া,শান্ত রাত,সবাই অঘোর ঘুমে,আমি আর ইছামতী জেগে,কানে আওয়াজ এলো ঐ রহিম
ভাই কটা ইলিশ উঠলো,রহিম ভাই আরোও একটু
জোড় গলায় বললো রাম ভাই তেমন এখনো
পাই নাই,এখনও চেষ্টা চালামু যদি ক খানা পাই,
ঠিক আছে রহিম ভাই সাবধানে যাও,হ্যাঁ ,রাম ভাই
তুমিও সাবধানে যাইও,অপূর্ব মিল বন্ধন এর
আওয়াজ পেলাম শান্ত রাতে ইছামতী র বুকে,
ইছামতী র সাথে কাটালাম এক রাত,এক রাত
দিতে পারে যতো সুখ ঠিক ততো টা ইছামতী দিয়েছিল আমায়,সকালে অনেক ভালো লাগা,
ইছামতী কে ফেলে আসার মন খারাপ নিয়ে
বেরিয়ে আসতে গিয়ে দেখি টেবিলের উপরে
রাখা খোঁপা য় লাগানো কৃষ্ণচূড়া তখনও সতেজ,
ইছামতী র জন্য টেবিলের উপরে রেখে দিয়ে এলাম
আমার খোঁপা য় লাগানো কৃষ্ণচূড়া গুলো.
বিছানা ছেড়ে খুব সকালে পৌঁছে গেলাম
ইছামতী র কাছে,বেশ এক ভালো লাগায়
নদী পানে চেয়ে রইলাম,প্রকৃতি ও তার
অপরূপ সাজে ইছামতী কে সাজিয়ে রেখেছে,
নৌকার আসা যাওয়া দেখতে রইলাম,হোগলা
বন থেকে সুন্দরী গাছ পালা,পাখিদের মিষ্টি
মধুর সুরে অদ্ভুদ এক ভালো লাগায় জড়িয়ে
পরলাম,কৃষ্ণচূড়া ফাগুনের শেষে যায় নি চলে,
এখনও দিব্যি সতেজ,ঝরে পড়তে দেখেই কুড়ায়
খোঁপা য় দিলাম গুজে,শান্ত ইছামতী নিজের গতি
তে বয়ে চলছে,তার গা ঘেঁষে থাকা ঘাস খেয়ে
চলছে আপন মনে গরু,বাছুর,তখন ইছামতী
তার ভাটার গতিতে চলছে,ঠিক নদীর ওপারেই
সেই আমাদের সোনার বাংলা গ্রাম খানি দেখা
যাচ্ছে,বেশ গাছ পালায় ঘেরা,ইচ্ছে হচ্ছিল যেতে,
কিছু মানুষের চলা ফেরা দেখছি,দেখছি একজন
সাইকেল চালিয়ে চলছে,ইছামতী র লাগোয়া ঘর
টি ছিলো থাকার,মন না চাইলেও ফিরলাম ঘরে,
অপেক্ষায় ছিলাম রাতের ইছামতী দেখবো বলে,
সেই অপেক্ষার রাত এলো,বারান্দায চেয়ার নিয়ে
বসলাম,ইছামতী তখন নিজের জোয়ারে চলছিলো
আপন মনে,জল বেড়ে গেল,ছোট ছোট ঢেউ ভাঙার শব্দ কানে এলো,তাকিয়ে দেখলাম আমার
থাকার ঘরটি ছুঁয়ে যাচ্ছে,বুঝতে পারলাম না,ঘর
ছুঁয়ে যাচ্ছে নাকি আমাকে ছুঁতে চাইছে,হতে পারে,
সকালে যে তাকে খুব আস্তে বলে এসেছিলাম
তোমাকে ভীষণ ভালোবাসি,ভালোবাসি তোমার
ওপারে দূর থেকে দেখা সোনার বাংলা কে,ভালোবাসি আমার এই বাংলা কে তাই হয়তো
ছুঁতে চাইছে আমাকে,হঠাৎ চোখ গেল নদীর মাঝে
দেখলাম টিমটিম করে আলো জ্বলছে,বোঝা গেলো হারিকেনে র আলো নিয়ে নৌকার আসা যাওয়া,শান্ত রাত,সবাই অঘোর ঘুমে,আমি আর ইছামতী জেগে,কানে আওয়াজ এলো ঐ রহিম
ভাই কটা ইলিশ উঠলো,রহিম ভাই আরোও একটু
জোড় গলায় বললো রাম ভাই তেমন এখনো
পাই নাই,এখনও চেষ্টা চালামু যদি ক খানা পাই,
ঠিক আছে রহিম ভাই সাবধানে যাও,হ্যাঁ ,রাম ভাই
তুমিও সাবধানে যাইও,অপূর্ব মিল বন্ধন এর
আওয়াজ পেলাম শান্ত রাতে ইছামতী র বুকে,
ইছামতী র সাথে কাটালাম এক রাত,এক রাত
দিতে পারে যতো সুখ ঠিক ততো টা ইছামতী দিয়েছিল আমায়,সকালে অনেক ভালো লাগা,
ইছামতী কে ফেলে আসার মন খারাপ নিয়ে
বেরিয়ে আসতে গিয়ে দেখি টেবিলের উপরে
রাখা খোঁপা য় লাগানো কৃষ্ণচূড়া তখনও সতেজ,
ইছামতী র জন্য টেবিলের উপরে রেখে দিয়ে এলাম
আমার খোঁপা য় লাগানো কৃষ্ণচূড়া গুলো.


