নীরব প্রেম
দিপালী মজুমদার
জীবনে প্রেম আসে নীরবেই।এই কথাটা মিতা ছোটো থেকেই শুনে এসেছে ,ছোটো বলতে কৈশোর উত্তীর্ণ হয়ে যৌবনে পা দিয়েছে তখন থেকেই ,বাবা মা এর নজরদারির মধ্যেই সে বড় হচ্ছিল। অষ্টম শ্রেণীতে ওঠার পর টিউশন দিতে হল। মিতার মা দিয়ে আসে আবার কোচিন এর শেষে সাথে করেই বাড়ি নিয়ে আসেন। এরই মধ্যেই মিতা দেখত ক্লাসের মধ্যে একটি ছেলে অপলক তার দিকে চেয়ে আছে।মিতা চোখ সরিয়ে নিত।এইভাবেই ওদের মধ্যে নীরব ভালোবাসা তৈরী হয়েছিল। যখন বারোক্লাস দেবে তখন মিতা জানতে পারল ছেলেটির নাম শুভদীপ।কখনো তাদের মধ্যে কোনো কথাই হয়নি।বারো ক্লাস পরীক্ষার শেষের দিন শুভদীপ মিতার কাছে এসে বলল আমরা আগামীকাল এই শহর ছেড়ে চলে যাচ্ছি,বাবার বদলীর চাকুরী তো।মিতা অবাক নয়নে শুভদীপ এর দিকে তাকিয়েই থাকল এবং শুভদীপের চলে যাওয়া দেখল।
এর মধ্যে মিতা মহাবিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়ে পি এইচ ডি প্রায় সমাপ্ত।কিন্ত তার চোখ বিভিন্ন দিকে ঘুরতে থাকে যদি তার সন্ধান পাওয়া যায়।কিন্ত হায় মিতা আর কোনদিনই তাকে খুঁজেই পেল না।মিতার বাবা মা অস্থির হয়ে গেল মিতাকে পাত্রস্থ করার জন্য। মিতার কোনো পাত্রই পছন্দ হল না।সবাই কে সে নাকচ করে দিল।সে রইল একা...একসময় মিতার বাবা এবং মা ও চলে গেলেন।মিতা কলেজে পড়ায় আর অপেক্ষায়...যদি কোনদিন শুভদীপ....


