বিশ্বাস
অঞ্জনা দে
আমদের পাড়ায় একটি শিবমন্দির আছে।সেটি এখন তারক ভোলা মন্দির নাম প্রচলিত।
এখানে প্রচুর ভক্ত আসে প্রত্যেক সোমবার। যিনি পুজো করেন তাঁকে সকলে "বাবা" বলে ডাকে । এই মন্দিরটি আগে একটি ছোটো চালাঘরের মতো ছিলো। শোনা যায় একবার এলটি মেয়ে স্টোভ বাস্ট করে তার চোখ দুটো প্রায় অন্ধের মতো হয় । সে আর চোখে দেখতে পেতনা,
অনেক ডাক্তার দেখিয়ে কোনো ফল পায় নি। তখন মেয়েটির বাড়ির লোকজন মন্দিরের মাহাত্ম শুনে এখানে আসে । এই মন্দিরের নিয়ম হলো প্রত্যেক সোমবার আরতি দেখে নিয়ম করে বেলপাতা ,চরণামৃত নিয়ে সেটি শুদ্ধ কাপড়ে সেবন করা। মেয়েটি নিষ্ঠার সঙ্গে সেটি করেছিল এবং
ফলও পেয়েছিল । মেয়েটির চোখ আস্তে আস্তে ভালো হতে থাকে।একদিন সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যায় মেয়েটি।সেই থেকে এই মন্দিরের কথা চারিদিকে ছড়িয়ে পরে।
স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাসে এটি সফল হয়েছে।তারপর আজ এই মন্দিরটি অনেক বড়ো হয়েছে। অনেক দূর দূর থেকে এই মন্দিরে প্রত্যেক সোমবার ভক্তরা আসে । নানা জনে নানা
সমস্যা নিয়ে আসে। বিজ্ঞানের যুগ হলেও আমদের স্রষ্ঠার
প্রতি বিশ্বাস রাখতে হয় । ডাক্তাররাও যখন উপায় না পায় তখন বলে ঈশ্বরই এখন ভরসা।
এখানে প্রচুর ভক্ত আসে প্রত্যেক সোমবার। যিনি পুজো করেন তাঁকে সকলে "বাবা" বলে ডাকে । এই মন্দিরটি আগে একটি ছোটো চালাঘরের মতো ছিলো। শোনা যায় একবার এলটি মেয়ে স্টোভ বাস্ট করে তার চোখ দুটো প্রায় অন্ধের মতো হয় । সে আর চোখে দেখতে পেতনা,
অনেক ডাক্তার দেখিয়ে কোনো ফল পায় নি। তখন মেয়েটির বাড়ির লোকজন মন্দিরের মাহাত্ম শুনে এখানে আসে । এই মন্দিরের নিয়ম হলো প্রত্যেক সোমবার আরতি দেখে নিয়ম করে বেলপাতা ,চরণামৃত নিয়ে সেটি শুদ্ধ কাপড়ে সেবন করা। মেয়েটি নিষ্ঠার সঙ্গে সেটি করেছিল এবং
ফলও পেয়েছিল । মেয়েটির চোখ আস্তে আস্তে ভালো হতে থাকে।একদিন সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যায় মেয়েটি।সেই থেকে এই মন্দিরের কথা চারিদিকে ছড়িয়ে পরে।
স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাসে এটি সফল হয়েছে।তারপর আজ এই মন্দিরটি অনেক বড়ো হয়েছে। অনেক দূর দূর থেকে এই মন্দিরে প্রত্যেক সোমবার ভক্তরা আসে । নানা জনে নানা
সমস্যা নিয়ে আসে। বিজ্ঞানের যুগ হলেও আমদের স্রষ্ঠার
প্রতি বিশ্বাস রাখতে হয় । ডাক্তাররাও যখন উপায় না পায় তখন বলে ঈশ্বরই এখন ভরসা।


