বৃষ্টিহীন শ্রাবনঅনিন্দিতা দাস
বেগুনী ঝুমকোলতা,গোলাপী মাধবীলতা,
নীল-সাদা অপরাজিতা,
তোরা আজ খুশি তো?
দেখ্,আমি বৃষ্টিকে ডেকে এনেছি।
হলোই বা সে এক পশলা!
তবু তো মেঘ কথা রেখেছে,বল্।
চোখের শ্রাবণধারা বাঁধ মানে না,
যখন তখন অবুঝের মতো ঝরায়।
ভেতরের জ্বালা সহজে কি জুড়ায়?
জানি,তোরাও এই দু ফোঁটা বৃষ্টিতে
খিলখিলিয়ে হেসে উঠবি না।
বাঁধভাঙা সুখের জোয়ার আসতে
বহু ধৈর্য্য, বহু প্রতীক্ষার পরীক্ষা
পেরিয়ে আসতে হয়।
মাটি,তুই তো ওপরের স্তরটুকুও
ভেজাতে পারিস নি রে।
এক পশলায় কি আর হবে?
আবারও তুই দীর্ঘশ্বাস ফেলে
ব্যথার তাপ ছাড়বি,দগ্ধ করবি,
অতীষ্ঠ করে তুলবি উদ্ভিদ আর প্রাণীকুলকে।
হায় ঈশ্বর!কেন তুমি এতো কৃপণ হয়ে গেলে?
ফিরিয়ে দাও শ্যামল রূপ,বৃষ্টির নূপুর।আমরা মানুষ হতে চাই।


